Sunday, August 31, 2014

হাঁপানি রোগীরা যা জানবেন

আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
eআমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf

0 comments:

Post a Comment

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More