Sunday, August 31, 2014

Toker jonno khotikor 10 t khabar.

aponader shubidhar jonno amader ai prochesta...................

দিনদিন মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য সচেতনতার পাশাপাশি বাড়ছে রূপ সচেতনতা। নারী কিংবা পুরুষ উভয়ই এখন নিজেদের সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেন।রূপের যত্নে যেমন রূপচর্চ্চার প্রয়োজন আছে তেমনি আছে খাবারের ভূমিকাও। রূপের সঙ্গে আছে ত্বকের সম্পর্ক। অর্থাৎ সুন্দর ত্বক সৌন্দর্যের প্রতিনিধিত্ব করে। সেই সুন্দর ত্বকই কিনা খাবারের কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কি সেই খাবার? আসুন জেনে নেই ত্বকের জন্য ক্ষতিকর দশটি খাবারের নাম।

অতিরিক্ত লবণ
অতিরিক্ত লবণ শরীরের এক ধরণের ক্ষতিকর ফ্লুইড বাড়িয়ে দেয়।ফলে ত্বক হয়ে পরে বিবর্ন। লবণের কারণে ত্বকের উপরিভাগের মসৃনতা নষ্ট হয়।চিপস, সল্টেড ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার, টিনজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

অতিরিক্ত ক্যাফেইন
ক্যাফেইন এক ধরণের উত্তেজক। ক্যাফেইন যুক্ত খাবার খেলে শরীরের করটিসল নামের এক ধরণের উদ্দীপকের উপস্থিতি বেড়ে যায়। যেটা ত্বকের উপর প্রভাব ফেলে। ফলে ত্বক কালো হয়ে যায়।তাই কাপের পর কাপ চা, কাফি কিংবা চকলেট খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

অ্যালকোহল
অ্যালকোহল শরীরে এন্টি-ডিউরেটিক হরমোনের ক্ষরণ ঘটায় ফলে পানির তৃষ্ণা বেড়ে যায়। আর পানি শূন্যতার ফলে ত্বক খসখসে হয়ে যায়। অ্যালকোহল রক্তের উদ্দীপনা বাড়িয়ে দেয়। ফলে অতিরিক্ত পানির প্রয়োজন পরে। যার প্রভাব পরে ত্বকের উপর। তাছাড়া অ্যালকোহল পানে ত্বক বুড়িয়ে যায়।

অতিরিক্ত চিনি
চিনিকে অনেকে সাদা বিষ মনে করেন।অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ফলে পাকস্থলী তার কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। আমরা যাই খাই না কেন পাকস্থলী বিপাক ক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যকে সুগারে রুপান্তরিত করে।কিন্তু যখন চিনি খাওয়া হয় তখন পাকস্থলীকে আর বিপাক ক্রিয়ার দরকার হয় না। ফলে পাকস্থলীর স্বাভাবিক ক্রিয়া ব্যাহত হয়। এতে করে ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে।

কোমল পানীয়
কোমল পানীয়তে থাকে চিনি ও কারবোনেটেড ওয়াটার।চিনি এমনিতেই ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।অন্যদিকে কারবোনেটড ওয়াটার ত্বকের কোমলতা নষ্ট করে। কোমল পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে। ক্যাফেইনও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।

প্রক্রিয়াজাত খাবার
পাস্তুরিত কিংবা প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে সাবধান।কেননা, এসব খাবার প্রক্রিয়াজাত করার সময় রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে খাবারের বিদ্যমান প্রাকৃতিক উপাদান সরিয়ে ফেলা হয়। ফলে নষ্ট হয় খাদ্যমান। অন্যদিকে প্রক্রিয়াজাত করার সময় ব্যবহার করা রাসায়নিক উপাদানের ত্বকের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একই ভাবে মিষ্টি ফল, প্রক্রিয়াজাত জুসও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

লাল মাংস
লাল মাংস বিশেষ করে চর্বিযুক্ত মাংস খেলে শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। লাল মাংসে থাকে স্যাটুরেটেড ফ্যাট যা কিনা পানির চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। পানি শুন্যতার কারণে ত্বকের ভারসাম্য নষ্ট হয়।মাংসে খেলের সংকোচন হয় যার ফলে ত্বকে ভাজ তৈরি হয়। ত্বক কুঁচকে যায়।

ফ্রাইড ফুড
ভাজা-পোড়া খাবার কিংবা চর্বিযুক্ত খাবার খেলে মানুষ শুধু মোটা হয় তা নয়।ভাজা-পোড়া খাবার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।ফ্রাই করা খাবারে ভিটামিন ই থাকে না। ভিটামিন ই ত্বকের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান।

কৃত্রিম মিষ্টি, রঙ ও স্বাদ
কৃত্রিম যেকোন খাবার শরীরের জন্য ক্ষতিকর।বিশেষ করে কৃত্রিম মিষ্টি, রঙ ও স্বাদের খাবার ত্বকের শত্রু। কেননা এসব খাবার হজম হতে পাকস্থলীর উপর অনেক অত্যাচার হয়। যার প্রভাব পরে ত্বকের উপর। কৃত্রিম খাবার খেলে ত্বক দিন দিন খসখসে, প্রাণহীন হয়ে পরে।

পানির ভারসাম্য নষ্ট করে যে খাবার
আমাদের শরীরের তিন ভাগের দু্ই ভাগ পানি।শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখে পানি। পানি স্বল্পতার কারণে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। ফলে ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়। কিছু কিছু খাবার আছে যেটা খেলে শরীরের পানির ভারসাম্য নষ্ট হয়। এসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।

সুস্থ থাকুন তিন কাপ চায়ে

সুদূর চীন থেকে ইংরেজরা যখন এদেশে চা নামক পাতার পানীয় সুখ নিয়ে এলো তখন তারাও বোধহয় জানত না বঙ্গজীবনে কী অপার সুখের সন্ধান দিল তারা। এতদিন চায়ের মনভোলানো স্বাদে যদি আপনি মাতোয়ারা হয়ে থাকেন এবার তাহলে তার গুণগুলোর সঙ্গেও পরিচিত হয়ে নিন।

সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, দিনে মাত্র তিন কাপ চা ম্যাজিকের মতো বহু গুণ কমিয়ে দেয় হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের সম্ভাবনা। শুধু তাই নয়, দাঁত ক্ষয় রোধ করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও চায়ের জুড়ি মেলা ভার।

লাল চায়ের (দুধ, চিনি ছাড়া) অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ক্ষমতা সুস্থ রাখে হার্ট। এমনকি চিনির মিশেও চা তার গুণাবলি মোটেও হারিয়ে ফেলে না। মাড়ি ও দাঁতের পক্ষে ক্ষতিকর দুই ধরনের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে সেই চা।

দিন রাত মোটা হওয়ার আতঙ্ক যাদের তারা করত তাদের জন্যও সুখবর। ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতেও এই গরম পানীয়ের জুরি মেলা ভার।

চায়ের মধ্যে ফ্লাভনয়েড নামের যে উপাদান ফ্যাট বার্নিংয়ে সাহায্য করে। এমনকি কমিয়ে দেয় শরীরের ফ্যাট শোষণের ক্ষমতাও। 

কৃমি নিরাময়ে টমেটো !

দু'তিনটে বড় টমেটো কেটে তাতে সৌন্ধব লবণ, গোলমরিচ দিয়ে খালি পেটে বিকেল চারটার সময় দিনে একবার করে ২-৩ দিন থেকে ২-৩ সপ্তাহ পর্যন্ত প্রয়োজন মতো সেবন করতে দিলে কৃমির উপদ্রব কমবে। টমেটো খাওয়ার অন্ততঃ দুই ঘন্টা আগে ও পরে কিছু খেতে দেওয়া যাবে না। খুব অসুবিধা হলে পানি পান করানো যেতে পারে। দুই ঘন্টা পর প্রয়োজনীয় খাবার খাবে। এতে বাচ্চাদের পেটের কৃমি দূর হয়ে রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় দাঁত কড়মর, ছটফট করা, দাঁত চিবানো বন্ধ হয়।

৩ বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের এভাবে টমেটো খাওয়ানো উচিৎ হবে না। মিষ্টি, বাসি খাবার, পচা, খারাপ হয়ে যাওয়া খাবার, লজেন্স, চকলেট একদম খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে।

ক্যান্সার রোধে ফুলকপি !

শীত মওসুমে থাকে সবজির আধিক্য। এসব সবজিতে রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। এর মধ্যে ফুলকপি অন্যতম। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই সবজি রোগ প্রতিরোধক হিসেবে দারুণ উপকারী। তাই খাওয়ার আগে জেনে নিন কেন খাবেন এই সবজি। ফুলকপিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। ভিটামিন এ, বি ছাড়াও আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও সালফার পাওয়া যায়। ফুলকপির ডাঁটা ও সবুজ পাতায়ও রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ফিগার সচেতনরা ফুলকপি খেতে পারেন। কারণ এতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম। ক্যান্সার প্রতিষেধক হিসেবে ফুলকপি খেতে পারেন। ফুলকপি ক্যান্সার সেল বা কোষকে ধ্বংস করে। এ ছাড়া মূত্রথলি ও প্রোস্টেট, স্তন ও ডিম্বাশয় ক্যান্সার প্রতিরোধে ফুলকপির ভূমিকা অপরিসীম। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন এ ও সি শীতকালীন বিভিন্ন রোগ যেমনÑ জ্বর, কাশি, সর্দি ও টনসিল প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ফুলকপির ভিটামিন এ চোখের জন্যও প্রয়োজনীয়। উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিস রোগীরা ফুলকপি খেতে পারেন নিঃসঙ্কোচে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও কোলেস্টেরল কমাতেও ফুলকপি ভালো কাজ করে। ফুলকপিতে থাকা আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। যারা কিডনির সমস্যায় ভুগছেন তাদের ফুলকপি বেশি না খাওয়াই ভালো। ফুলকপিতে থাকা প্রচুর উদ্ভিজ্জ আমিষ দুর্বল কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ ছাড়া থাইরয়েড গ্ল্যান্ডসংক্রান্ত জটিলতায় আক্রান্তদের ফুলকপি এড়িয়ে চলাই ভালো।

সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশের ৯ পরামর্শ ।


http://www.ebanglahealth.com/wp-content/uploads/2014/03/164x200xdat-brush-247x300.jpg.pagespeed.ic.p5ygQ5wcZy.jpg

ডা. মোখলেছুর রহমান
ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল।
আমাদের দিন শুরু ও শেষ হয় দাঁত ব্রাশ করা দিয়ে। অথচ অনেকেই হয়তো জানেন না দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়মকানুন; বিশেষ করে আপনি নিজেই যদি না জেনে থাকেন, তবে বাড়ির শিশুটিকে শেখাতেও পারবেন না। আর সঠিক নিয়মে ব্রাশ না করলে লেগে থাকবে দাঁত ও মুখের নানা সমস্যা। তাই জেনে নিন কীভাবে দাঁত ব্রাশ করা উচিত।

১: প্রথম কথা হচ্ছে টুথব্রাশ বাছাই করা। ভালো মানের টুথব্রাশ ব্যবহার করুন, যার শলাকাগুলো বেশি শক্ত বা বেশি নরম নয়। ছোটদের জন্য ছোট আকারের ব্রাশ দরকার, যা ওদের মুখে সহজে আঁটে।

২: পরিমিত মাত্রায় পেস্ট নিয়ে সকালে নাশতার পরে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করুন। সম্ভব হলে ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। শিশুদের জন্য কম ঝাঁজাল টুথপেস্ট বেছে নিন।

৩: ব্রাশের শলাকাগুলো দাঁতের সঙ্গে ৪৫ ডিগ্রি কোনাকুনিভাবে ধরে ওপর পাটির দাঁত ওপর থেকে নিচে এবং নিচের পাটির দাঁত নিচ থেকে ওপরে ব্রাশ করুন।

৪: দাঁতের ভেতরে ও বাইরের অংশে সমান সময় নিয়ে ব্রাশ করুন। তাড়াহুড়া করবেন না। কমপক্ষে দুই মিনিট সময় নিয়ে ব্রাশ করুন।

৫: তিন মাস অন্তর টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। দীর্ঘদিন ব্যবহারে ব্রাশের শলাকাগুলো বাঁকা হয়ে গেলে তা পরিবর্তন করতে হবে।

৬ : দিনে কম পক্ষে দুবার ব্রাশ করার পাশাপাশি অন্য সময় চকলেট কিংবা মিষ্টিজাতীয় আঠালো খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দাঁত ব্রাশ করুন।

যা করা উচিত নয়

৭: অতিরিক্ত দীর্ঘ সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করার প্রয়োজন নেই। বেশি জোরে ও দ্রুত ব্রাশ করা থেকেও বিরত থাকুন। ব্রাশের আঘাতে যেন মুখগহ্বরের ভেতের ঝিল্লির পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

৮:সামনে-পিছে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁতের গোড়া ক্ষয়ে যেতে পারে। ওপর-নিচে ব্রাশ করুন।

৯: টকজাতীয় খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাঁত ব্রাশ করা থেকে বিরত থাকুন।

কীভাবে দাঁত ব্রাশ করবেন?

১: ওপরের পাটি

মাড়ির নিচের অংশ পর্যন্ত পরিষ্কার করতে প্রতিটি দাঁতের আশপাশে ব্রাশ পৌঁছে দিন।

২: নিচের পাটি

মাড়ির নিচের অংশ পর্যন্ত পরিষ্কার করতে প্রতিটি দাঁতের আশপাশে ব্রাশ করুন।

৩: দাঁতের ওপরের অংশ

পেছনের দাঁতের ওপর-নিচ সবখানে ব্রাশ করুন।

৪: দাঁতের বাইরের অংশ

এক প্রান্ত থেকে শুরু করে অপর প্রান্ত পর্যন্ত অথবা ওপর থেকে নিচের দিকে ব্রাশ করুন।

ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করতে এক থেকে দুই মিনিট সময় নিন।

অল্প পরিমাণে ফ্লুরাইড টুথপেস্ট ব্যবহার করুন এবং একটি ছোট ও নরম ব্রাশ বেছে নিন।

শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সঠিক নিয়মে ব্রাশ করা শেখানো অভিভাবকের দায়িত্ব। দাঁতের সুস্বাস্থ্যের জন্য শিশুদের মাছের কাঁটা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশের ৯ পরামর্শ

হাঁটুন, সুস্থ থাকুন

এতো সবাই জানেন একটি সুখী, সুস্থ শরীর মনের জন্য কোন ও না কোন ধরনের শরীরর্চ্চা প্রয়োজন। ব্যায়াম সে সঙ্গে সুমিত পানাহার হলো দীর্ঘ জীবনের রহস্য, শরীর মন তর-তাজা রাখার রহস্য। আদর্শ ওজন বজায় রাখা সবচেয়ে বড় কাজ। এছাড়া আনন্দে কালক্ষেপনের একটি ভালো উপায় হলো ব্যায়াম করা। সহজ সরল একটি ব্যায়াম আছে। হাঁটা। কম পরিশ্রমে উপযুক্ত একটি ব্যায়াম সব বয়সের মানুষের জন্য। নিখরচায়, শরীরচর্চা। যেখানে সেখানে করা যায় এই শরীরচর্চা। লেকের পার ধরে যে পায়েচলা পথ সেই পথ ধরে হাঁটার মধ্যে কত আনন্দ। ঝিরি ঝিরি বাতাস, বন্ধুর সঙ্গে হাঁটতে বড় আনন্দ। এমনকি বাসার চারধারে যে ফুটপাত সেখানে দশমিনিট হাঁটলেও কম কি? ইদানীং গবেষকরা বলছেন হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীর সুস্থাস্থ্যের জন্য হাঁটা, জগিং ও দৌড়ানোর সমান সুফল আনে। বস্তুত: কারো কারো জন্য হাঁটা এর চেয়েও ভালো ব্যায়াম। কারণ হাঁটলে শরীরের উপর চাপ পড়েনা। দৌড়ালে অনেক সময় হাড়ের গিটে ব্যথা হয়, আহত হয় পেশী। বয়স্কদের জন্য বেশ ঝুকিপূর্ণ কিন্তু হাঁটা-হাঁটি করে আহত হওয়ার কথা শোনা যায়না। বড় সহজ এই হাঁটা। বিশেষ কোন পোষাক পরার দরকার নেই, ঘেমে নেয়ে উঠার প্রয়োজন নেই। আরামে আয়েশেও হাঁটা যায় যত্রতত্র। সপ্তাহে ছয়দিন ৩০ মিনিট করে হাঁটাই যথেষ্ট। জগিং ও এরোবিকস এর মত কঠোর ব্যায়াম হার্টকে ঘোড়ার মত দৌড়াতে বাধ্য করে। রক্ত জোরে পাম্ল করতে থাকে। একপর্যায় পর্যন- এটি হিতকরী। তবে পেশি এত কঠোর শ্রম যেহেতু করে সেজন্য এর প্রয়োজন হয় প্রচুর অক্সিজেন। ব্যায়ামে তৈরী হয় ল্যাকটিক এসিড, অম্লতা রোধের জন্য চাই প্রচেষ্টা। ল্যাকটিক এসিড জমা হওয়াতে পেশী হয় শক্ত ও বেদনার্ত। হাঁটলে তেমন হয় না। হৃদপিণ্ড জোরে পাম্ব করে, বাড়ায় রক্তপ্রবাহ, তবে পেশীর উপর এত কঠোর প্রভাব ফেলেনা। শরীরে তৈরি হয় না এত ল্যাকটিক এসিড। তাই শরীরের উপর কম চাপ প্রয়োগ করেও রক্ত সংবহনতন্ত্রের উজ্জীবনে সাহায্য করে। দেহের সঞ্চিত মেদ অবমুক্ত হয়ে বিপাক হয়। শরীরের উপর যেহেতু এর চাপ কম সেজন্য যে কোনও কেউ পুরা সপ্তাহ ধরে হাঁটলেও খারাপ লাগেনা। অনেক অসুস্থ মানুষও হাঁটাকে ব্যায়াম হিসাবে গ্রহণ করতে পারেন। শুরু হোক ধীরে ধীরে। প্রথম দিন ১০ মিনিট থেকে ১৫ মিনিট। এরপর গতি বাড়ান, সময় বাড়ান। ২০ থেকে ৩০ মিনিট । এরপর শীতল হন ১০ মিনিট। ৫ থেকে ১০ মিনিটে ধীরে হেঁটে শীতল হন। ভীড-ভাট্টা, ব্যবহুল জিম থেকে নিখরচায় হাঁটা অনেক ভালো।

অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
পরিচালক, ল্যাবরেটরী সার্ভিসেস, বারডেম।
এতো সবাই জানেন একটি সুখী, সুস্থ শরীর মনের জন্য কোন ও না কোন ধরনের শরীরর্চ্চা প্রয়োজন। ব্যায়াম সে সঙ্গে সুমিত পানাহার হলো দীর্ঘ জীবনের রহস্য, শরীর মন তর-তাজা রাখার রহস্য। আদর্শ ওজন বজায় রাখা সবচেয়ে বড় কাজ। এছাড়া আনন্দে কালক্ষেপনের একটি ভালো উপায় হলো ব্যায়াম করা। সহজ সরল একটি ব্যায়াম আছে। হাঁটা। কম পরিশ্রমে উপযুক্ত একটি ব্যায়াম সব বয়সের মানুষের জন্য। নিখরচায়, শরীরচর্চা। যেখানে সেখানে করা যায় এই শরীরচর্চা। লেকের পার ধরে যে পায়েচলা পথ সেই পথ ধরে হাঁটার মধ্যে কত আনন্দ। ঝিরি ঝিরি বাতাস, বন্ধুর সঙ্গে হাঁটতে বড় আনন্দ। এমনকি বাসার চারধারে যে ফুটপাত সেখানে দশমিনিট হাঁটলেও কম কি? ইদানীং গবেষকরা বলছেন হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীর সুস্থাস্থ্যের জন্য হাঁটা, জগিং ও দৌড়ানোর সমান সুফল আনে। বস্তুত: কারো কারো জন্য হাঁটা এর চেয়েও ভালো ব্যায়াম। কারণ হাঁটলে শরীরের উপর চাপ পড়েনা। দৌড়ালে অনেক সময় হাড়ের গিটে ব্যথা হয়, আহত হয় পেশী। বয়স্কদের জন্য বেশ ঝুকিপূর্ণ কিন্তু হাঁটা-হাঁটি করে আহত হওয়ার কথা শোনা যায়না। বড় সহজ এই হাঁটা। বিশেষ কোন পোষাক পরার দরকার নেই, ঘেমে নেয়ে উঠার প্রয়োজন নেই। আরামে আয়েশেও হাঁটা যায় যত্রতত্র। সপ্তাহে ছয়দিন ৩০ মিনিট করে হাঁটাই যথেষ্ট। জগিং ও এরোবিকস এর মত কঠোর ব্যায়াম হার্টকে ঘোড়ার মত দৌড়াতে বাধ্য করে। রক্ত জোরে পাম্ল করতে থাকে। একপর্যায় পর্যন- এটি হিতকরী। তবে পেশি এত কঠোর শ্রম যেহেতু করে সেজন্য এর প্রয়োজন হয় প্রচুর অক্সিজেন। ব্যায়ামে তৈরী হয় ল্যাকটিক এসিড, অম্লতা রোধের জন্য চাই প্রচেষ্টা। ল্যাকটিক এসিড জমা হওয়াতে পেশী হয় শক্ত ও বেদনার্ত। হাঁটলে তেমন হয় না। হৃদপিণ্ড জোরে পাম্ব করে, বাড়ায় রক্তপ্রবাহ, তবে পেশীর উপর এত কঠোর প্রভাব ফেলেনা। শরীরে তৈরি হয় না এত ল্যাকটিক এসিড। তাই শরীরের উপর কম চাপ প্রয়োগ করেও রক্ত সংবহনতন্ত্রের উজ্জীবনে সাহায্য করে। দেহের সঞ্চিত মেদ অবমুক্ত হয়ে বিপাক হয়। শরীরের উপর যেহেতু এর চাপ কম সেজন্য যে কোনও কেউ পুরা সপ্তাহ ধরে হাঁটলেও খারাপ লাগেনা। অনেক অসুস্থ মানুষও হাঁটাকে ব্যায়াম হিসাবে গ্রহণ করতে পারেন। শুরু হোক ধীরে ধীরে। প্রথম দিন ১০ মিনিট থেকে ১৫ মিনিট। এরপর গতি বাড়ান, সময় বাড়ান। ২০ থেকে ৩০ মিনিট । এরপর শীতল হন ১০ মিনিট। ৫ থেকে ১০ মিনিটে ধীরে হেঁটে শীতল হন। ভীড-ভাট্টা, ব্যবহুল জিম থেকে নিখরচায় হাঁটা অনেক ভালো।
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
পরিচালক, ল্যাবরেটরী সার্ভিসেস, বারডেম।
- See more at: http://www.ebanglahealth.com/2454#sthash.3SB8PSF3.dpuf

হাঁপানি রোগীরা যা জানবেন

আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
eআমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf
আমাদের দেশে স্বাস্থ্যজনিত উদ্বিগ্নতার অন্যতম কারণ হাঁপানি। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্বে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ কোটির বেশি এবং প্রতি বছর বিশ্বে এই রোগের কারণে ২৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা ৪ লাখের মতো। একই রিপোর্টে প্রকাশিত হয় যে বাংলাদেশে বর্তমানে হাঁপানি রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ মিলিয়ন। প্রতি বছর নতুন করে আরও ৫০ হাজার লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন এবং মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী এ রোগের যথার্থ চিকিৎসা পাচ্ছেন।
বাংলাদেশে এই রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং চিকিৎসক কম হলেও আধুনিক চিকিৎসা আছে। সরকারি হাসপাতাল এবং ব্যক্তি পর্যায়ে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে সর্বাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে। রোগের ধরন অনুযায়ী কম বা বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চললেও এ রোগ থেকে রোগীকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও মাত্র পাঁচ শতাংশ রোগী কেন চিকিৎসা পাচ্ছেন? এর কারণ রোগীদের অসচেতনতা, রোগ সম্পর্কে কুসংস্কার ইত্যাদি। অনেকেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। রোগে তীব্রভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরও অনেকে অজ্ঞতাবশত ঝাড়ফুঁক, তাবিজ-কবজ ইত্যাদি চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগের জটিল অবস্থায় উপনীত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। প্রাথমিক অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়া সম্ভব।
হাঁপানি রোগের উপসর্গ বা লক্ষণ
* বুকের ভেতর বাঁশির মতো সাঁই সাঁই শব্দ হওয়া
* শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হওয়া
* দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নিতে না পারা
* ঘন ঘন কাশি
* বুকে আঁটসাঁট অথবা দম বন্ধভাব
* স্বস্তিতে রাতে ঘুমাতে না পারা
রোগীদের জানা দরকার
হাঁপানি রোগের আধুনিক চিকিৎসা দেশেই আছে। সচ্ছল রোগীরা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা এবং সময় নষ্ট করছে।
অশিক্ষিত ও দরিদ্র শ্রেণীর রোগীরা মনে করেন তাবিজ-কবজ, পানি পড়া, মালা পড়া দিয়ে এ রোগ সেরে যাবে। অপচিকিৎসা, চিকিৎসা-অজ্ঞতা অনেক রোগীকে অকালে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা বর্তমানে বাংলাদেশেই রয়েছে। অপচিকিৎসা নিয়ে মৃত্যুবরণ কিংবা বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় করে বিদেশে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, এমএইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা। - See more at: http://www.jugantor.com/stay-well/2014/08/30/141100#sthash.ZRSS3Cc9.8Z8HJCO5.dpuf

Share

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More